Tuesday, December 31, 2019

নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন


নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন
নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন। ছবি সংগৃহীত
সুস্থ থাকা সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত। তবে সুস্থ থাকতে আপনাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। কারণ অসুস্থ থাকলে আপনার প্রতিদিনের জীনযাত্রায় তার প্রভাব পড়বে।
নতুন বছরের শুরুতেই আমরা অনেক রকম পরিকল্পনা করে থাকি বা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। কিন্তু ধীরে ধীরে সেসব ভুলে আবারও ভুল যাই। তবে ভুলে গেলে হবে না। সচেতন হতে হবে।
নিজেকে সুস্থ রাখতে কিছু উপায় মেনে চলা জরুরি। আসুন জেনে নিই নতুন বছরের সুস্থ থাকতে যা করবেন-
১. অতিরিক্ত ওজন কমানো আর সঠিক ডায়েট করতে হবে।
২. কোন খাবারগুলো আপনার জন্য ভালো আর কোনগুলো নয়, তা জেনে খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৩. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করুন, এটি হজমশক্তি বাড়াবে।
৪. প্রতিদিন সকালে আর সন্ধ্যায় আপনি যে কোনো ধরনের ব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিদিন সকালে অন্তত পাঁচ মিনিট হাঁটাচলা, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা এবং দৌড়াতে চেষ্টা করুন। ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এতে আপনাকে সুস্থ রাখবে।
৫. শরীরকে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম দিন। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের শরীরের অঙ্গগুলো কাজ করার শক্তি ফিরে পায়।
৬. সুস্থ থাকতে ছাড়তে হবে ধূমপান ও মদ্যপান। একটানা কাজের মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিন। একটানা বসে থাকা বা একটানা কাজ করে যাওয়া ধূমপান ও মদ্যপানের মতোই ক্ষতিকর।

Jugantor

নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন

নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন


নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন
নতুন বছরে সুস্থ থাকতে যা করবেন। ছবি সংগৃহীত
সুস্থ থাকা সৃষ্টিকর্তার নিয়ামত। তবে সুস্থ থাকতে আপনাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। কারণ অসুস্থ থাকলে আপনার প্রতিদিনের জীনযাত্রায় তার প্রভাব পড়বে।
নতুন বছরের শুরুতেই আমরা অনেক রকম পরিকল্পনা করে থাকি বা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। কিন্তু ধীরে ধীরে সেসব ভুলে আবারও ভুল যাই। তবে ভুলে গেলে হবে না। সচেতন হতে হবে।
নিজেকে সুস্থ রাখতে কিছু উপায় মেনে চলা জরুরি। আসুন জেনে নিই নতুন বছরের সুস্থ থাকতে যা করবেন-
১. অতিরিক্ত ওজন কমানো আর সঠিক ডায়েট করতে হবে।
২. কোন খাবারগুলো আপনার জন্য ভালো আর কোনগুলো নয়, তা জেনে খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৩. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করুন, এটি হজমশক্তি বাড়াবে।
৪. প্রতিদিন সকালে আর সন্ধ্যায় আপনি যে কোনো ধরনের ব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিদিন সকালে অন্তত পাঁচ মিনিট হাঁটাচলা, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা এবং দৌড়াতে চেষ্টা করুন। ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এতে আপনাকে সুস্থ রাখবে।
৫. শরীরকে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম দিন। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের শরীরের অঙ্গগুলো কাজ করার শক্তি ফিরে পায়।
৬. সুস্থ থাকতে ছাড়তে হবে ধূমপান ও মদ্যপান। একটানা কাজের মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিন। একটানা বসে থাকা বা একটানা কাজ করে যাওয়া ধূমপান ও মদ্যপানের মতোই ক্ষতিকর।
Jugantor

Wednesday, December 25, 2019

আজ-কাল বৃষ্টির শঙ্কা বাড়তে পারে শীত-যুগান্তর

কুয়াশা
শীতে কাঁপছে দেশ। গত ৯ দিন ধরে সারা দেশে শীত জেঁকে বসলেও বুধবার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হল পঞ্চগড়ে ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ৯ দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ বিরতি দিয়ে চললেও বুধবার থেকে ফের শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহ এ মৌসুমের সব ধাপকে ছাড়িয়ে গেছে।
আবহাওয়া দফতর দেশবাসীর জন্য আরও দুঃসংবাদ দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, আজ-কালকের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত হতে পারে। আর বৃষ্টি হলে তাপমাত্রার আরেক দফা কমবে। তখন শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।
এ অবস্থা চলবে আরও এক সপ্তাহ। এরই মাঝে আবহাওয়া বিভাগের (বিএমডি) কর্মকর্তারা আশার কথা শুনিয়েছেন। তারা বলছেন, বৃষ্টির সময় সৃষ্ট মেঘমুক্ত আকাশ থেকে দিনে সূর্য অনায়াসে ধরণীকে উষ্ণ করবে। এতে বেড়ে যাবে দিনের তাপমাত্রা।
শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা এবং হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। মধ্যরাত থেকে প্রকৃতি ঢাকা থাকছে ঘন কুয়াশায়। অনেক স্থানে এক সপ্তাহ ধরে সূর্যের আলো পড়ছে না। সড়ক ও নৌ যোগাযোগ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
দক্ষিণাঞ্চলে আসা-যাওয়ার অন্যতম বাহন লঞ্চ চলাচলে বিঘ্নিত হচ্ছে। মাওয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের উভয় পাড়ে শত শত গাড়ি আটকে পড়েছে। সড়কে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে বাস-ট্রাক-গাড়ি।
সারা দেশেই গরম কাপড় বিক্রি বেড়ে গেছে। বেশি কষ্টে আছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। দরিদ্র মানুষের মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে গরম কাপড় বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সরকারিভাবেও শীতবস্ত্র বিতরণের কোনো উদ্যোগ সেভাবে চোখে পড়ছে না।
তহবিল অপ্রতুল থাকায় বিভিন্ন এলাকায় চেয়ারম্যানসহ অন্য জনপ্রতিনিধিরা প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। এদিকে শীতে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির হারও বেড়েছে। সরকারি হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে শীতজনিত রোগে প্রায় ৬ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।
১ নভেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত শীতজনিত রোগে মারা গেছেন ৪৪ জন। সবচেয়ে বেশি ১০ জন করে মারা গেছেন খাগড়াছড়ি ও পঞ্চগড়ে। ন্যাশনাল হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার বলছে, তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা নিয়েছেন ৯৬৭ জন রোগী।
এছাড়া ২,০৫৯ জন ডায়রিয়া এবং ২,৯১৯ জন জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ ও জ্বরে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে এসেছেন। খাগড়াছড়ির সবাই মারা গেছেন তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, টানা শীতের কারণে উষ্ণতার খোঁজে আগুন পোহাতে গিয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বিএমডির আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস যুগান্তরকে জানান, তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মাঝারি, ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র এবং আর ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে।
এ হিসাবে কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল অঞ্চল এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে দিনে দেশের অধিকাংশ স্থানে সূর্য তাপ দিতে পেরেছে। যে কারণে এদিন সারা দেশের গড় তাপমাত্রা ছিল প্রায় ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য বেড়েছে অনেক।
এমন পরিস্থিতিতে শীতের অনুভূতি তুলনামূলক কম। জানা গেছে, বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দুই স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও ১৩ সেলসিয়াস। পার্থক্য ১০ ডিগ্রির বেশি হলে হাড় কাঁপানো শীতের অনুভূতি আর থাকে না।
বিএমডি বলছে, শৈত্যপ্রবাহ আরও অবনতি ঘটতে পারে। আজকালের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত হতে পারে। বৃষ্টি হলে আকাশ থাকে মেঘমুক্ত। এতে ঊর্ধ্বাকাশ থেকে জেড স্ট্রিমের শীতল বায়ুর নেমে আসা সহজ হয়। পাশাপাশি হিমালয় থেকে উৎসারিত শীতল ঝঞ্ঝা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত হয়ে থাকে। সবমিলিয়ে শীতের প্রকোপ বেড়ে যায়।
পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানান, বুধবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রিতে নেমে আসার পাশাপাশি বেড়েছে কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাস। এক সপ্তাহ ধরেই সূর্যের দেখা মিলছে না। বুধবার দুপুরে সূর্যের মুখ একঝলক দেখা গেলেও উত্তাপ ছড়াতে পারেনি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জেঁকে বসে শীত।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ রায় জানিয়েছেন, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তেঁতুলিয়ায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তখন পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। তবে এবার পৌষের প্রথম দিন থেকেই পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। সঙ্গে চলে উত্তুরে হিমালয় থেকে আসা ঠাণ্ডা বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
ঘন কুয়াশা আর উত্তুরে বাতাসে পঞ্চগড়ের সর্বত্র এখন হাড় কাঁপা শীত অনুভূত হচ্ছে। ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পথঘাট। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস বয়ে চলায় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না কেউ।
জীবিকার তাগিদে যারা বের হচ্ছেন মোটা সোয়েটার কিংবা জ্যাকেট পরে বের হচ্ছেন। সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।
পাবনা প্রতিনিধি জানান, পদ্মা-যমুনা নদীবেষ্টিত পাবনায় গত ৭ দিন ধরে প্রচণ্ড শীত এবং হিমেল হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা এবং হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। মধ্যরাত থেকে প্রকৃতি ঢাকা থাকছে ঘন কুয়াশায়।
এক সপ্তাহ ধরে সারা দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে দেখা গেছে। গত ১০ দিন ধরে এ অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়লেও গত ৭ দিন থেকে শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন এবং হিমেল হাওয়ায় শীত জেঁকে বসেছে বলে জানান আবহাওয়া অফিস।
বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ২ শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু ভর্তি হয়েছেন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক রঞ্জন কুমার দত্ত জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ২ শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় বেড না পেয়ে অনেক আক্রান্ত নারী-পুরুষ, শিশু মেঝেতে শুয়েই চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

The deceased Ichamati River মৃত প্রায় ইছামতি

Saturday, December 21, 2019

কনকনে শীতে কম্বলের আশায় ছিন্নমূল মানুষ

Thursday, December 19, 2019

Ichamoti Kumargonj Ghat

ইছামতি নদী-পুরনো কোরমগঞ্জ লঞ্চঘাট এখনো নদীর অস্ত্বিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়।

এক সময়ের প্রমত্ত ইছামতি শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত ছিলো মুন্সিগহ্জের তিনটি উপজেলা, ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা পযন্ত । কালক্রমে এই শাখা প্রশাখার অনেকাংশই অস্ত্বিহীন হয়ে পড়ে। ফলে এই নদীর উপর নিভরশীল প্রায় ১০ লাখ লোক এখন পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। অথচ এক সময় বড় বড় লঞ্জ স্টীমার দিয়ে লোকজন যাতায়াতসহ মালামাল পরিবহন করতো। মাছের সমাহার ছিলো রাশি রাশি। কিন্তু সবই রুপ কথার গল্প। বর্তমানে সিরাজদিখান উপজেলার ইছামতির কিছু অস্ত্বিত্ব খুঁজে পেলেও বৃহৎ অংশ নেই বললে চলে। নবাবগঞ্জে এখনো ইছামতির অস্ত্বিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। ধলেশ্বরী ও কালিগঙ্গা নদীর সাথে সংযোগ হওয়াতে ইছামতির কিছু কিছু যাওয়া পানি দেখতে পাওয়া যায়। ধলেশ্বরীর সংযোগস্থ হতে কাশিয়াখালী বেরিবাঁধ পযন্ত প্রায় ৬৮ কিঃমিঃ- এখনো খনন করা হলে ইছামতি পুরনো ধাচে চলে যেতে পারে। বতমানে প্রায় ২০ কিঃমিঃ নদীতে পানির পাওয়া গেলেও বাকী অংশ এখনিই পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। পুরনো লঞ্জ ঘাট কোমরগঞ্জ পযন্ত পানির গভীরতা একটু বেশী হলেও বক্্রনগর হতে বারুয়াখালী পযন্ত পানির সংকট শুরু হয়ে গিয়েছে। কলাকোপা হতে বান্দুরা পযন্ত পানি থাকলেও ক্রমেই কমে যাচ্ছে। হাগ্রাদী থেকে বেরিবাঁধ পযন্ত ইতিপূর্বে খনন করার ফলে পানি পাওয়া যাচ্ছে। কোমরগঞ্জে নদী পথে মালামাল পরিবহন হচ্ছে। পন্য সামগ্রীসহ ইট, বালু,রড, কাঠসহ ভারী জিনিসপত্র আনা লওয়ার ফলে ঘাটটি এখনো ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখনো এখানে নৌকা চলে, পাশেই গড়ে উঠেছে নৌকা ছোট ছোট লঞ্চ বানোর ডগ। অবসর সময়ে নৌকা দিয়ে ঘুরে বেড়ানোর একটি জায়গা। পুরো অংশটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হলে এখানে মানুষ চলে আসবে নৌকা দিয়ে ঘুরে বেড়ানো। এখানে পানিও বেশ
Video link দেখুন
https://youtu.be/waLrkosGrn4
 
পরিস্কার। নৌ যোগাযোগ সুযোগ থাকার ফলে ঘাটটি ব্যস্ততার লক্ষ্য করা যায়। বাহ্র বাজারের সাথে যোগাযোগের একটি ব্রীজ থাকলেও লোকজন নৌকা দিয়েই পারাপার হন। মাঝিরা জানান, প্রায় ৮/১০টি নৌকা দিয়ে নিয়মিত লোকজন পারাপার করেন। প্রতি দিন ৫/৬ শত টাকার আয় হয়। অনেকে নৌকা দিয়ে বেড়াতে চলে আসে। নদীর সাথে যাদের সখ্যতা তাদের সকলের দাবী পুরো ইছামতিকে খনন করা হোক- আবার ফিরে পাক এর অস্তিত্ব।

Saturday, December 7, 2019

আগারগাঁও- পাল্টে যাচ্ছে দৃশ্যপট

আগারগাঁওয়ে রাস্তা খোঁড়ার সময় গ্যাস লাইনে আগুনে দগ্ধ ৪

জলবায়ু পরিবর্তনে ছোট হয়ে আসছে পাখি-Jugantor

পাখি
জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষ, মাটি, পানি, পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পাখিরাও। পৃথিবীর উষ্ণায়নের কারণে নানা প্রজাতির পাখি আকারে ছোট হয়ে আসছে, আবার ভবনের সঙ্গে আঘাতে মারা যাচ্ছে পাখিরা। উত্তর আমেরিকার ৫২ প্রজাতির পাখি থেকে ৭০৭১৬ নমুনা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন গবেষকরা। এ গবেষণাপত্রটি ইকোলজি লেটারস নামক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও টেকসিই স্কুলের সহকারী অধ্যাপক ব্রায়ান উইকসের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল বলছে, পাখির ডানার সঙ্গে দেহের ভারসাম্যহীনতার এমনই দৃষ্টান্ত দেখা গেছে শিকাগো শহরে, কয়েকটি পাখি ভবনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মারা পড়েছে। যার নমুনা তিনি সংগ্রহ করেছেন ও গবেষণা পরিচালনা করেছেন।
বিবিসি বলছে, এ অধ্যয়নটি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে প্রাণীরা কিভাবে মানিয়ে নেবে তা বোঝার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। অধ্যাপক ব্রায়ান উইকস বলছেন, আমরা গবেষণা করে দেখতে পেয়েছি যে, প্রায় সব প্রজাতিই ছোট হয়ে আসছে। আমাদের গবেষণার সময় ব্যবহৃত প্রজাতিগুলো বৈচিত্র্যময় ছিল। তবে সব প্রজাতির মধ্যেই একই রকম প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
উইকস বলছিলেন যে, ছোট আকারের দেহের অর্থ হল, পাখিরা দীর্ঘ যাত্রা পথে কম শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকে। উষ্ণ তাপমাত্রায় পাখি ছোট হওয়ার কারণ বিজ্ঞানীরা ঠিক নিশ্চিত নন। তবে একটি তত্ত্ব আছে যে, শীতল পরিবেশে ছোট প্রাণীরা ভালো থাকে। গবেষণাটি প্রমাণ করে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রাণীগুলো ছোট হয়ে আসছে।
এর আগে ২০১৪ সালে গবেষকরা প্রমাণ করেন যে, উষ্ণ তাপমাত্রার কারণে আলপাইন ছাগলগুলো ছোট হতে দেখা গেছে। আরেকটি সমীক্ষা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অন্যান্য কীটপতঙ্গও ছোট হয়ে এসেছে। এছাড়াও পৃথিবীর উষ্ণায়নের কারণেই পৃথিবী থেকে যুগে যুগে বিলুপ্ত হয়েছে অনেক মূল্যবান প্রাণী।

Thursday, December 5, 2019

নৌযান চলার পথ করা হচ্ছে

শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি
শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি
শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি
শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। ছবি: আব্দুল গনি শীত আসলে কমে যায় নদীর পানি। এতে বিভিন্ন জায়গায় চর জেগে উঠে। ফলে নৌযান চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। আর সেই সমস্যা নিরসনে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নৌযান চলার পথ করে দেওয়া হয়। ছবিটি পদ্মা নদী থেকে তোলা। 
ছবি: আব্দুল গনি; ইত্তেফাক।

পিয়াজ বেশি খায় সিলেটের মানুষ, কম বরিশালের

পিয়াজ বেশি খায় সিলেটের মানুষ, কম বরিশালের
সরকারের নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও কমছে না পিয়াজের দাম। জরুরি ভিত্তিতে ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশ থেকে পিয়াজ আমদানি করা হলেও পিয়াজের দাম বৃদ্ধিতে তেমন কোনও পরিবর্তন আসেনি। চলতি বছরে পিয়াজের দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত।
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কাছে দেশের পিয়াজের বাজার পরিস্থিতি ও প্রতিযোগিতার অবস্থা তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের অনুরোধে করা ওই গবেষণা প্রতিবেদনের প্রাথমিক ফলাফল সম্প্রতি চূড়ান্ত করে জমা দেওয়া হয়েছে।
বিআইডিএসের গবেষণায় বলা হয়, সিলেট অঞ্চলের মানুষ বেশি পিয়াজ খায়। অন্যদিকে, পিয়াজ কম খায় বরিশাল অঞ্চলের মানুষ। বিভাগ ভিত্তিক পিয়াজ খাওয়া নিয়ে গবেষণা করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন গবেষকেরা। বিআইডিএসের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো নাজনীন আহমেদের নেতৃত্বে মূল গবেষণাটি করা হয়। গবেষণা বলছে, সিলেট অঞ্চলের পরিবারগুলো গড়ে চার কেজি ৯১ গ্রাম পিয়াজ ব্যবহার করে। অন্যদিকে, ঢাকায় তিন কেজি ৫৬ গ্রাম, রাজশাহীতে ৩ কেজি ৭৪ গ্রাম চট্টগ্রামে ৩ কেজি ১৯ গ্রাম, খুলনায় দুই কেজি ৬২ গ্রাম ও রংপুরে ২ কেজি ৫০ গ্রাম পেঁয়াজ ব্যবহার হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল  ইসলাম বলেন, বিআইডিএসকে দিয়ে পিয়াজের গবেষণা করিয়েছি। পিয়াজ নিয়ে স্থায়ী সমাধান খুঁজতেই এমন উদ্যোগ।




Prothidin news

স্বেচ্ছায় কিডনি দান করা যাবে: হাইকোর্ট Kidney স্টার অনলাইন রিপোর্ট স্বেচ্ছায় কেউ চাইলে কিডনি দান করতে পারবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক্ষেত্রে কিডনি গ্রহীতা নিকটাত্মীয় না হলেও বাধা থাকবে না। আদেশে হাইকোর্ট বলেন, স্বেচ্ছায় দানকারী ব্যক্তির কাছ থেকে কিডনি নেওয়ার আগে তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা ধরা না পড়লেই কেবল তার কাছ থেকে কিডনি নেওয়া যাবে। তবে কোনো মদাকাসক্ত ব্যক্তি ডোনার হতে পারবেন না। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। নিকট আত্মীয়ের গণ্ডির বাইরে স্বেচ্ছায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানে বাধা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের প্রেক্ষিতে আজ এই আদেশ এসেছে। ডেপুটি এটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, রায়ের আলোকে হাইকোর্ট সরকারকে মানবদেহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯ সংশোধন করতে বলেছেন যেন নিকটাত্মীয়সহ ‘ইমোশনাল ডোনার’রা কিডনি দান করতে পারেন। বর্তমান আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র নিকটাত্মীয়দের মধ্য থেকেই কিডনি নেওয়া যায়। মানবদেহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের যে আইন এখন কার্যকর রয়েছে তার ২ (গ), ৩ ও ৬ ধারায় নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে জনৈক ফাতেমা জোহরা এক আবেদনে আইনের ওই ধারাগুলোর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেন। ফাতেমা তার অসুস্থ মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডিনি দান করেছিলেন। কিন্তু এক বছর বাদেই মেয়ের শরীরে প্রতিস্থাপন করা কিডনিটি বিকল হয়ে যায়। এর পর তিনি আরেকজন দাতা জোগাড় করতে সক্ষম হলেও আইনের বাধার কারণে কিডনি সংযোজন করা সম্ভব হয়নি। ফাতেমা পরে এই আইনি বাধা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন হাইকোর্টে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া: যুগান্তকারী এই রায়ের মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ও আদালতের মর্যাদা বাড়বে: জাফরুল্লাহ চৌধুরী Stay updated on the go with The Daily Star Android & iOS News App. Click here to download it for your device. The Daily Star Breaking news alert on your phone Grameenphone and Robi: Type START BR and send SMS it to 2222 Banglalink: Type START BR and send SMS it to 2225 Find more information on SMS subscription © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, THE DAILY STAR এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি পাঠকের মন্তব্য সর্বাধিক পঠিত শীর্ষ খবর বিভাগে জনপ্রিয় শীর্ষ খবর এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ যুগান্তকারী এই রায়ের মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ও আদালতের মর্যাদা বাড়বে: জাফরুল্লাহ চৌধুরী আদালতের পরিবেশ নষ্ট করবেন না, বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে: প্রধান বিচারপতি ট্রাম্পের অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করতে স্পিকারের সবুজ সংকেত 'পুলিশের সম্মানিত অনেকেই শিল্পী সমিতিতে এসে চা খেয়েছেন, ঘুরে ঘুরে সব দেখেছেন' মাঘের আগেই ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পারদ মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ শ্রমিকদের ফেরাতে বিমানের ১৬টি বিশেষ ফ্লাইট

স্বেচ্ছায় কিডনি দান করা যাবে: হাইকোর্ট

স্টার অনলাইন রিপোর্ট
স্বেচ্ছায় কেউ চাইলে কিডনি দান করতে পারবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক্ষেত্রে কিডনি গ্রহীতা নিকটাত্মীয় না হলেও বাধা থাকবে না।
আদেশে হাইকোর্ট বলেন, স্বেচ্ছায় দানকারী ব্যক্তির কাছ থেকে কিডনি নেওয়ার আগে তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা ধরা না পড়লেই কেবল তার কাছ থেকে কিডনি নেওয়া যাবে। তবে কোনো মদাকাসক্ত ব্যক্তি ডোনার হতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। নিকট আত্মীয়ের গণ্ডির বাইরে স্বেচ্ছায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানে বাধা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের প্রেক্ষিতে আজ এই আদেশ এসেছে।
ডেপুটি এটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, রায়ের আলোকে হাইকোর্ট সরকারকে মানবদেহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯ সংশোধন করতে বলেছেন যেন নিকটাত্মীয়সহ ‘ইমোশনাল ডোনার’রা কিডনি দান করতে পারেন। বর্তমান আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র নিকটাত্মীয়দের মধ্য থেকেই কিডনি নেওয়া যায়।
মানবদেহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের যে আইন এখন কার্যকর রয়েছে তার ২ (গ), ৩ ও ৬ ধারায় নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে জনৈক ফাতেমা জোহরা এক আবেদনে আইনের ওই ধারাগুলোর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেন।
ফাতেমা তার অসুস্থ মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডিনি দান করেছিলেন। কিন্তু এক বছর বাদেই মেয়ের শরীরে প্রতিস্থাপন করা কিডনিটি বিকল হয়ে যায়। এর পর তিনি আরেকজন দাতা জোগাড় করতে সক্ষম হলেও আইনের বাধার কারণে কিডনি সংযোজন করা সম্ভব হয়নি।
ফাতেমা পরে এই আইনি বাধা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন হাইকোর্টে।



Daily Star

পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভারতের সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভ


Jugantor

পেঁয়াজের দাম বাড়ায় ভারতের সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভ
পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভারতের সংসদে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেছে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দল। দিল্লি, কলকাতায় বিক্ষোভ করেছে জনতা। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫০ ছাড়িয়েছে। এ অবস্থায় মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।
এদিকে পেঁয়াজের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপ নিয়ে সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে দেশটির কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ‘পেঁয়াজ প্রায় খান না’ মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার অধিবেশন শুরুর আগে সংসদ চত্বরে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতারা। এতে যোগ দেন ১০৬ দিন জেল খাটার পর জামিন পাওয়া সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমও। রাজ্যসভায় কংগ্রেসের এই নেতা সরকারের বিরুদ্ধে বেশ ঝাঁজালো বক্তব্য দেন।
সংসদেও কংগ্রেস সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন ক্ষমতাসীন বিজেপির মন্ত্রীরা। এনসিপিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন।
এদিন কংগ্রেস, আম আদমি পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের পেঁয়াজ না খাওয়া নিয়ে বক্তব্যের সমালোচনা করে টুইট করে। লোকসভায় বুধবার অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকে আমদানির চিন্তাভাবনা চলছে।
এ সময় এক সংসদ সদস্য তাকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি মিসরের পেঁয়াজ খান? উত্তরে সীতারমণ বলেন, আমি খুব বেশি পেঁয়াজ-রসুন খাই না, তাই চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি এমন পরিবারের মানুষ যেখানে পেঁয়াজ নিয়ে লোকজনের খুব বেশি মাথাব্যথা নেই।
এরপরই বিরোধীরা তাকে ‘ম্যারি আঁতোয়ানেত’ বলে সম্বোধন করতে থাকেন। ফ্রান্সে রাজা ষোড়শ লুইয়ের জমানায় খাদ্য সংকট চলাকালে রানী আঁতোয়ানেত প্রজাদের পাউরুটি খেয়ে থাকতে বলেছিলেন। চিদম্বরম অর্থমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেছেন, উনি কি অ্যাভোকাডো খান?
এদিকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেও পেঁয়াজের দাম এক মাসের ব্যবধানে কয়েকগুণ বেড়েছে।
আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ ১৫০-১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে গঠিত রাজ্য সরকারের টাস্কফোর্স জানিয়েছে, চলতি মাসে সংকট কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। ওদিকে দিল্লিতেও পেঁয়াজের দাম শতের কোটা ছাড়িয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ী ও আড়তদারের জন্য মজুদের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেয়া হলেও এখনও এর সুফল দেখা যাচ্ছে না। চাহিদা অনুযায়ী বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম। দাম বাড়ায় কমে গেছে পেঁয়াজের বিক্রিও।

রোহিঙ্গাদের জন্য চাল সহায়তা দিচ্ছে চীন-Jugantor

রোহিঙ্গাদের জন্য চাল সহায়তা দিচ্ছে চীন
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য প্রথমবারের মতো চাল সহায়তা দিচ্ছে চীন। প্রাথমিকভাবে আড়াই হাজার টন চাল দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে দেশটি। এরমধ্যে প্রথম দফায় ২০০ টন চাল চলতি সপ্তাহে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র চীনের এই সহায়তাকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বাংলাদেশ।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল যুগান্তরকে বলেন, চীন রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্য আড়াই হাজার টন চাল দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তিও হয়েছে। প্রথম দফায় ২০০ টন চাল আসছে। পর্যায়ক্রমে বাকি চালও আসবে।
এদিকে রোহিঙ্গাদের জন্য দেয়া চীনের সহায়তার এই চালের শুল্ক মওকুফ করতে ২৬ নভেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য চীন সরকারের পক্ষ থেকে ২০০ টন চাল ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে।
এ চাল বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য জরুরি মানবিক ত্রাণ সহায়তা হিসেবে পাঠানো হয়েছে। সেহেতু এসব ত্রাণসামগ্রীর ওপর আরোপযোগ্য সব শুল্ক/কর মওকুফ করার জন্য অনুরোধ জানানো হল।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে মিয়ানমারের বন্ধুরাষ্ট্র চীন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনকে বরাবরই পাশে চেয়েছে বাংলাদেশ।
এ বছরের জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে দেশটির সরকারকে সম্মত করতে চেষ্টা করবে বলে বেইজিং ঢাকাকে আশ্বস্ত করে। এরপর থেকেই মূলত রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক সহায়তা হিসেবে প্রথমবারের মতো চাল সহায়তা দিতে যাচ্ছে রাষ্ট্রটি।
জানা গেছে, ১৯৯১-৯২ সালে ৩৩ হাজার ৫৪২ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাদের ফেরত নেয়নি মিয়ানমার। ফলে তারা টেকনাফ ও উখিয়াতে অবস্থান করে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের কারণে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করলে রোহিঙ্গা সংকট ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। সব মিলে বর্তমানে মোট ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এনজিওর সহায়তায় রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা পরিচালিত হচ্ছে।
বর্তমানে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির পক্ষ থেকে ২-৩ সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের জন্য মাসে ৩০ কেজি চাল, নয় কেজি ডাল ও তিন লিটার ভোজ্যতেল দেয়া হচ্ছে। ৪-৭ সদস্যের পরিবারের জন্য মাসে ৬০ কেজি চাল, ১৮ কেজি ডাল ও ছয় লিটার ভোজ্যতেল এবং আটের অধিক সদস্যের পরিবারের জন্য প্রতি মাসে ১২০ কেজি চাল, ২৭ কেজি ডাল ও ১২ লিটার ভোজ্যতেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি প্রতি মাসে দুই রাউন্ডে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে।

Monday, December 2, 2019

ভারতে দূষণের নতুন নজির, সৈকতে বিষাক্ত ফেনা

চেন্নাইয়ের বিখ্যাত মেরিনা সমুদ্রসৈকতে দেখা গেছে বিপুল পরিমাণ সাদা রঙের ফেনা। অনেকটা সাদা তুলার মতো এ ফেনা বিষাক্ত।
দূষিত এ ফেনা থেকে ত্বকের সমস্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সে আশঙ্কার তোয়াক্কা না বাচ্চাদেরকে দেখা গেছে সে ফেনায় খেলা করতে। দূষিত ফেনার অ্যাসিড গন্ধকে উপেক্ষা করে তারা খেলায় মেতেছে। দেখা গেছে সেলফি তোলার হিড়িকও।
এনডিটিভি জানায়, গত চারদিন ধরেই এখানকার সৈকতে সমুদ্রে দূষিত এ সাদা ফেনা দেখা যাচ্ছে। চেন্নাইয়ের ৪০ শতাংশ বর্জ্য ঠিকমতো শোধন করা হয়। বাকিটা সমুদ্রে ফেলার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

 প্রতি বছরই এ ধরনের ফেনা দেখা যায় বর্ষাকালে। কিন্তু এবার তা আরো ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মৎস্যজীবীদেরও আপাতত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
তামিলনাড়ু কর্তৃপক্ষ মেরিনা সৈকত থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করার জন্য পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে।
চেন্নাইয়ের ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর কোস্টার রিসার্চ'-এর বিজ্ঞানী প্রভাকর মিশ্র বলেছেন, ‘‘ওই ফেনায় যাওয়াটা একেবারেই ভাল নয়। তবুও কেউ ঝুঁকিটা বুঝতে চাইছে না।''
এর আগে ২০১৭ সালে সমুদ্রে দূষণের ফলে প্রচুর মাছ মারা গিয়েছিল। এবারও বিজ্ঞানীরা সতর্ক আছেন। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি কেন হল তার ব্যাখ্যায় বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সম্প্রতি প্রবল বৃষ্টিতে দূষিত বজ্র্য ও ফসফেট সমুদ্রে এসে পড়াতেই এ দূষণ সৃষ্টি হয়েছে।
প্ররভাকর মিশ্রর মতে, অধিকাংশ ফেনাই এসেছে কাপড় কাচা সাবান থেকে। যা অন্য বর্জ্যের সঙ্গে গিয়ে মিশছে। তিনি বলেন, ‘‘দূষণ এখন সৈকতের ক্ষেত্রে ফুলে ওঠা সমুদ্রের চেয়েও বড় বিপদ