এক সময়ের প্রমত্ত ইছামতি শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত ছিলো মুন্সিগহ্জের
তিনটি উপজেলা, ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা
পযন্ত । কালক্রমে এই শাখা প্রশাখার অনেকাংশই অস্ত্বিহীন হয়ে পড়ে। ফলে এই
নদীর উপর নিভরশীল প্রায় ১০ লাখ লোক এখন পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। অথচ এক সময় বড়
বড় লঞ্জ স্টীমার দিয়ে লোকজন যাতায়াতসহ মালামাল পরিবহন করতো। মাছের সমাহার
ছিলো রাশি রাশি। কিন্তু সবই রুপ কথার গল্প। বর্তমানে সিরাজদিখান
উপজেলার ইছামতির কিছু অস্ত্বিত্ব খুঁজে পেলেও বৃহৎ অংশ নেই বললে চলে।
নবাবগঞ্জে এখনো ইছামতির অস্ত্বিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। ধলেশ্বরী ও কালিগঙ্গা
নদীর সাথে সংযোগ হওয়াতে ইছামতির কিছু কিছু যাওয়া পানি দেখতে পাওয়া যায়।
ধলেশ্বরীর সংযোগস্থ হতে কাশিয়াখালী বেরিবাঁধ পযন্ত প্রায় ৬৮ কিঃমিঃ- এখনো
খনন করা হলে ইছামতি পুরনো ধাচে চলে যেতে পারে। বতমানে প্রায় ২০ কিঃমিঃ
নদীতে পানির পাওয়া গেলেও বাকী অংশ এখনিই পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। পুরনো লঞ্জ
ঘাট কোমরগঞ্জ পযন্ত পানির গভীরতা একটু বেশী হলেও বক্্রনগর হতে বারুয়াখালী
পযন্ত পানির সংকট শুরু হয়ে গিয়েছে। কলাকোপা হতে বান্দুরা পযন্ত পানি থাকলেও
ক্রমেই কমে যাচ্ছে। হাগ্রাদী থেকে বেরিবাঁধ পযন্ত ইতিপূর্বে খনন করার ফলে
পানি পাওয়া যাচ্ছে। কোমরগঞ্জে নদী পথে মালামাল পরিবহন হচ্ছে। পন্য
সামগ্রীসহ ইট, বালু,রড, কাঠসহ ভারী জিনিসপত্র আনা লওয়ার ফলে ঘাটটি এখনো
ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখনো এখানে নৌকা চলে, পাশেই গড়ে উঠেছে নৌকা
ছোট ছোট লঞ্চ বানোর ডগ। অবসর সময়ে নৌকা দিয়ে ঘুরে বেড়ানোর একটি জায়গা। পুরো
অংশটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হলে এখানে মানুষ চলে আসবে নৌকা দিয়ে ঘুরে
বেড়ানো। এখানে পানিও বেশ
Video link দেখুন
https://youtu.be/waLrkosGrn4
পরিস্কার। নৌ যোগাযোগ সুযোগ থাকার ফলে ঘাটটি ব্যস্ততার লক্ষ্য করা যায়। বাহ্র বাজারের সাথে যোগাযোগের একটি ব্রীজ থাকলেও লোকজন নৌকা দিয়েই পারাপার হন। মাঝিরা জানান, প্রায় ৮/১০টি নৌকা দিয়ে নিয়মিত লোকজন পারাপার করেন। প্রতি দিন ৫/৬ শত টাকার আয় হয়। অনেকে নৌকা দিয়ে বেড়াতে চলে আসে। নদীর সাথে যাদের সখ্যতা তাদের সকলের দাবী পুরো ইছামতিকে খনন করা হোক- আবার ফিরে পাক এর অস্তিত্ব।
https://youtu.be/waLrkosGrn4
পরিস্কার। নৌ যোগাযোগ সুযোগ থাকার ফলে ঘাটটি ব্যস্ততার লক্ষ্য করা যায়। বাহ্র বাজারের সাথে যোগাযোগের একটি ব্রীজ থাকলেও লোকজন নৌকা দিয়েই পারাপার হন। মাঝিরা জানান, প্রায় ৮/১০টি নৌকা দিয়ে নিয়মিত লোকজন পারাপার করেন। প্রতি দিন ৫/৬ শত টাকার আয় হয়। অনেকে নৌকা দিয়ে বেড়াতে চলে আসে। নদীর সাথে যাদের সখ্যতা তাদের সকলের দাবী পুরো ইছামতিকে খনন করা হোক- আবার ফিরে পাক এর অস্তিত্ব।
No comments:
Post a Comment