ঢাকার দুই সিটিতে আওয়ামী লীগে দুই নারী কাউন্সিলর প্রার্থী
মরিয়ম চম্পা
দেশ বিদেশ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার
এলাকায় ইতোমধ্যে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। এলাকায় পার্ক, রাস্তাঘাট সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থাসহ অনেক কাজ করেছি। আবারও কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে নারী-শিশুদের উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে কাজ করে যাব। নতুন প্রজন্মের জন্য খেলার মাঠ তৈরি করবো। তারা যাতে মানসিক বিকাশে ভালোভাবে খেলাধুলা করতে পারে। তাছাড়া আমাদের ওয়ার্ডগুলোতে মেয়েদের জন্য আলাদা খেলাধুলার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের জন্য আলাদা খেলার মাঠের ব্যবস্থা করতে চাই। নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে তাদের মধ্যে সততা, আত্মসম্মানবোধ, আত্মবিশ্বাস ইত্যাদি বাড়ানোর জন্য যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার সেটা করতে চাই। তাদেরকে এলাকার প্রতিটি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চাই। ইতোমধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে আমি একটি পার্ক তৈরির কাজ শুরু করেছি। তিনি বলেন, মাঠপর্যায় থেকে আজকের এই অবস্থানে এসেছি শুধু নিজের কাজ ও যোগ্যতার মূল্যায়নে। ব্যক্তিগতভাবে সততা, এবং আত্মসম্মানবোধের ক্ষেত্রে কখনো আপোস করিনি এবং ভবিষ্যতেও করবো না। আমার নির্বাচিত এলাকায় নতুন প্রজন্ম দুর্নীতি ও মাদকের সঙ্গে যাতে না জড়ায় সেজন্য তাদের কাউন্সিলিং, করে কথা বলে তাদের মধ্যে এক ধরনের নৈতিক জাগরণ সৃষ্টি করতে চাই। অনেকেই বলে থাকেন কাউন্সিলরদের কাজের মূল্যায়ন করা হয় না। কিন্তু আমি সেটা ভুল প্রমান করেছি। আমি মনে করি শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকা উচিৎ। যারা অন্যায় কাজ করেছে তারা ইতোমধ্যে ভয় এবং শিক্ষা দুটোই পেয়েছে। অন্যায় ও দুর্নীতি করে যত বড় নেতাই হোক না কেন তাদের পরিচয় কিন্তু একটাই। দুর্নীতিবাজ। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে বলতে চাই, অন্যায়কারীর কোন জাত, দল, ধর্ম নেই। আমার কাছে মনে হয় যে সকল স্থানগুলোতে আলো কম বা অন্ধকার থাকে সেখানে মাদকের আখড়াটা বেশি হয়। আমি সেসকল স্থানগুলোকে আলোকিত করার চেষ্টা করছি এবং করবো। আমরা প্রমান করতে চাই ‘জনগনের জন্য জনপ্রতিনিধি। জনপ্রতিনিধির জন্য জনগন না’। জনগনের মঙ্গল করতে না পারলেও দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের ক্ষতি যেন না করি এই বিষয়টি প্রত্যেক জনপ্রতিনিধির মনে রাখতে হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ডে মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী হেলেন আক্তার বলেন, ইতোমধ্যে আমি ৪৫, ৪৬, ৪৭ নাম্বার ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসন থেকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এবছর সরাসরি মাঠে লড়াই করে কাউন্সিলর নির্বাচিত হতে পারলে আমার নির্বাচনী এলাকাকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা গড়বো। ওয়ার্ডকে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখবো। জনগনের পাশে থেকে সার্বক্ষণিক সব ধরনের সেবা করতে চাই। শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যেমন নিজেকে সৎ রেখেছি বাকীটা সময় এই সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে সেটা অব্যাহত রাখতে সরকারকে সবসময় সহযোগিতা করে যাবো। যাতে আমরা সবাই সংশোধন হয়ে আসতে পারি।
মানব জমিন
No comments:
Post a Comment