আমরা প্রতিদিন নানা কাজে বাইরে বের হই। কেউ চাকরি, কেউ
ব্যবসা, কেউ স্কুল-কলেজে কিংবা অন্য কোনো কাজের উদ্দেশ্যে। চলাফেরার সময়
আমরা সাধারণত সাবধানতা অবলম্বন করি।
আবার অনেক সময় সতর্ক থাকি না অথবা বেখেয়ালে থাকি। সাবধানতা অবলম্বনে
ঘাটতি থাকলে জীবনের ঝুঁকি বাড়ে। শঙ্কায় থাকে পরিবার। আমাদের নিয়ে তারা
চিন্তা করেন ঘরে না ফেরা পর্যন্ত। এখন দেশে পুরুষ-নারী উভয়েরই কাজের পরিধি
বেড়েছে। বেড়েছে ব্যস্ততাও। রাস্তা পারাপারের সময় সাবধানতা বা সতর্কতা
অবলম্বনের ক্ষেত্রে সবাইকে যত্নবান হতে হবে; এ সময় ডানে-বাঁয়ে ও পেছনে
খেয়াল করা উচিত।
চলার পথে আশপাশে নির্মাণাধীন কোনো ভবন আছে কিনা দেখে নেয়া ভালো। নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট, লোহা বা অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী পড়ে মানুষের আহত-নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। অন্যরা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে; তাই বলে নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে নিজে সচেতন হব না? নির্জনে একাকী পথচলা পরিহার করতে হবে। রাস্তাঘাটে সদা তৎপর মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারী দলের সদস্যরা। সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে তারা। মুহূর্তেই ছোঁ মেরে নিয়ে যাবে সব। এমনকি প্রাণটাও।
যানবাহনে অপরিচিত কারও দেয়া খাবার কিংবা নেশাযুক্ত দ্রব্য খেয়ে অজ্ঞান হওয়ার ভয়ও রয়েছে। এজন্য সদা সতর্কভাবে চলাফেরা করা দরকার। প্রয়োজনের তাগিদে অপরিচিত এলাকা বা অপরিচিতজনদের সংস্পর্শে আসার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেয়া উচিত।
পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত। পরিচিতজনের সহায়তা নিতে পারলে আরও ভালো। চলার পথে টুকটাক কাজ করতে গিয়ে ভুলে যাই, হাতে কিংবা কাঁধে ব্যাগ ছিল, ছিল ল্যাপটপ অথবা প্যান্টের পেছনের পকেটে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ছিল। সামান্য বেখয়ালে গুরুত্বপূর্ণ অনেক জিনিসই হারিয়ে ফেলি, যা শত চেষ্টায়ও পরে আর খুঁজে পাই না। এরকম অবস্থা অনেকের হয়।
এজন্য চলার পথে, কাজ শেষে বা কাজের ফাঁকে সঙ্গে থাকা সব জিনিসপত্রের দিকে দু’একবার চোখ বুলিয়ে নেয়া ভালো। একটু সতর্ক হলেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।
অনেকে অনেক রাত করে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরেন। রাত গভীর হলে দিবসের কোলাহলপূর্ণ সড়ক ও জনপদগুলোয় সুনসান নীরবতা ভর করে। ফাঁকা রাস্তায় গাড়িগুলোও গতি পায়! এ সময় শঙ্কাও বাড়ে- কখন জানি বিপদ হয়। তাই যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করতে হবে। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য চলাফেরায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সবাই সতর্ক ও সচেতন হই; সাবধানে পথ চলি।
শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক
যুগান্তর
চলার পথে আশপাশে নির্মাণাধীন কোনো ভবন আছে কিনা দেখে নেয়া ভালো। নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট, লোহা বা অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী পড়ে মানুষের আহত-নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। অন্যরা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে; তাই বলে নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে নিজে সচেতন হব না? নির্জনে একাকী পথচলা পরিহার করতে হবে। রাস্তাঘাটে সদা তৎপর মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারী দলের সদস্যরা। সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে তারা। মুহূর্তেই ছোঁ মেরে নিয়ে যাবে সব। এমনকি প্রাণটাও।
যানবাহনে অপরিচিত কারও দেয়া খাবার কিংবা নেশাযুক্ত দ্রব্য খেয়ে অজ্ঞান হওয়ার ভয়ও রয়েছে। এজন্য সদা সতর্কভাবে চলাফেরা করা দরকার। প্রয়োজনের তাগিদে অপরিচিত এলাকা বা অপরিচিতজনদের সংস্পর্শে আসার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেয়া উচিত।
পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত। পরিচিতজনের সহায়তা নিতে পারলে আরও ভালো। চলার পথে টুকটাক কাজ করতে গিয়ে ভুলে যাই, হাতে কিংবা কাঁধে ব্যাগ ছিল, ছিল ল্যাপটপ অথবা প্যান্টের পেছনের পকেটে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন ছিল। সামান্য বেখয়ালে গুরুত্বপূর্ণ অনেক জিনিসই হারিয়ে ফেলি, যা শত চেষ্টায়ও পরে আর খুঁজে পাই না। এরকম অবস্থা অনেকের হয়।
এজন্য চলার পথে, কাজ শেষে বা কাজের ফাঁকে সঙ্গে থাকা সব জিনিসপত্রের দিকে দু’একবার চোখ বুলিয়ে নেয়া ভালো। একটু সতর্ক হলেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।
অনেকে অনেক রাত করে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরেন। রাত গভীর হলে দিবসের কোলাহলপূর্ণ সড়ক ও জনপদগুলোয় সুনসান নীরবতা ভর করে। ফাঁকা রাস্তায় গাড়িগুলোও গতি পায়! এ সময় শঙ্কাও বাড়ে- কখন জানি বিপদ হয়। তাই যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করতে হবে। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য চলাফেরায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সবাই সতর্ক ও সচেতন হই; সাবধানে পথ চলি।
শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক
যুগান্তর

No comments:
Post a Comment