একের পর এক ঘটছে ট্রেন দুর্ঘটনা। মারা যাচ্ছে মানুষ। দাবি উঠেছে ট্রেনের
ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনার। ঠিক তখনই ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে অটোসিগন্যাল
ট্রান্সমিটার উদ্ভাবন করলেন নাটোরের মনোয়ার হোসেন মিঠু -বাংলাদেশ প্রতিদিন
নতুন যন্ত্রটি কীভাবে কাজ করবে- এ প্রসঙ্গে মিঠু বলেন, ‘যন্ত্রটি ট্রেনের সঙ্গে লাগানো থাকবে। থাকবে লেভেলক্রসিংয়ের বারের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত। ক্রসিংয়ে ট্রেন পৌঁছানোর ৫-৭ মিনিট আগেই যন্ত্রটির সংকেত পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ক্রসিং বারটি নেমে যাবে। ট্রেন চলে যাওয়ার পর তা আবার উঠে যাবে। এ ক্ষেত্রে মানুষের কোনো সাহায্য লাগবে না। ফলে লেভেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে।’
এর আগে তিনি স্লিপার দুর্বৃত্তায়ন ও লাইনচ্যুতির কারণে ট্রেন দুর্ঘটনা রোধেও ট্রান্সমিটার উদ্ভাবন করেন। তার উদ্ভাবিত যন্ত্র সম্পর্কে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ৭ জুলাই রাজশাহীর পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক হারুন অর-রশিদ তাকে ডাকেন। সেখানে তার উদ্ভাবিত অটো সিগন্যাল ট্রান্সমিটার পরীক্ষা করে তারা শতভাগ সফলতা পান। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বিষয়টি আর এগোয়নি। জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘মিঠু তার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির বিষয়ে কথা বলেছেন। একবার দেখাও করে গেছেন। তার প্রযুক্তি কাজ করে কিনা পরীক্ষা করে দেখতে পশ্চিমাঞ্চল রেলের সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন বিভাগে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
নাটোরের জেলা প্রশাসক মোহম্মদ শাহরিয়াজ বলেন, ‘চলমান পদ্ধতির চেয়ে যন্ত্রটি উন্নত প্রযুক্তি ও টেকসই হলে তার জন্য সব ধরনের সহায়তা করা হবে।’
Protidin
No comments:
Post a Comment