গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫ অবৈধ ইটভাটা
বায়ুদূষণ রোধে হাইকোর্ট আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ঢাকার আশপাশের সব অবৈধ ইটভাটা
বন্ধের নির্দেশনা দেওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার ধামরাইয়ে পাঁচটি
ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসকের
লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে ফসলি জমি, বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল,
শিল্পকারখানা ও মহাসড়কসংলগ্ন এলাকায় ইটভাটা নির্মাণ ও ইট পোড়ানোর অভিযোগে
পাঁচটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময়
পাঁচটি ইটভাটা মালিককে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে এসব
ভাটার ইট পোড়ানোসহ সব কার্যক্রম বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত র্যাব, পুলিশ ও
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের নিয়ে ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা
করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম। এ সময়
উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান
খান, সহকারী পরিচালক শরিফুল ইসলাম ও পরিদর্শক মাহমুদা খাতুন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে ইটভাটা নির্মাণ ও ইট প্রস্তুত করায় এবং এক কিলোমিটারের মধ্যে বসতবাড়িসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থাকায় ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকার আফজাল হোসেনের সান ব্রিকস, আবদুল আজিজের আজিজ অ্যান্ড সন্স ব্রিকস, শরিফুল ইসলামের এমএইচ ব্রিকস, মনির হোসেনের ইউএসএ ব্রিকস ও নুরুল ইসলামের এমডিবিসি ব্রিকসে অভিযান চালিয়ে ভেকু মেশিন দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিটি ইটভাটার মালিককে ১২ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে এমএইচবি ব্রিকসের মালিক জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় তার বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় নিয়মিত মামলা করা হবে। একই সঙ্গে এসব ইটভাটার সব কার্যক্রম বন্ধ রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পরিচালিত সব ইটভাটায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ধামরাই উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, পূর্ব কোনো নোটিশ না দিয়েই পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে জরিমানা আদায় করেছেন। এতে প্রতি ইটভাটা মালিকরা প্রায় দুই কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এতে ইটভাটা মালিকদের পথে বসা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
প্রসঙ্গত, গত ৬ নভেম্বর ধামরাইয়ের আরও চারটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ৪৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ধামরাই উপজেলায় ২১৩টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ১৭১টি ভাটা চলমান রয়েছে। তবে এসব অধিকাংশ ইটভাটার বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই বলেও জানা গেছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে ইটভাটা নির্মাণ ও ইট প্রস্তুত করায় এবং এক কিলোমিটারের মধ্যে বসতবাড়িসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থাকায় ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকার আফজাল হোসেনের সান ব্রিকস, আবদুল আজিজের আজিজ অ্যান্ড সন্স ব্রিকস, শরিফুল ইসলামের এমএইচ ব্রিকস, মনির হোসেনের ইউএসএ ব্রিকস ও নুরুল ইসলামের এমডিবিসি ব্রিকসে অভিযান চালিয়ে ভেকু মেশিন দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিটি ইটভাটার মালিককে ১২ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে এমএইচবি ব্রিকসের মালিক জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় তার বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় নিয়মিত মামলা করা হবে। একই সঙ্গে এসব ইটভাটার সব কার্যক্রম বন্ধ রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পরিচালিত সব ইটভাটায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ধামরাই উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, পূর্ব কোনো নোটিশ না দিয়েই পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে জরিমানা আদায় করেছেন। এতে প্রতি ইটভাটা মালিকরা প্রায় দুই কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এতে ইটভাটা মালিকদের পথে বসা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
প্রসঙ্গত, গত ৬ নভেম্বর ধামরাইয়ের আরও চারটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ৪৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ধামরাই উপজেলায় ২১৩টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ১৭১টি ভাটা চলমান রয়েছে। তবে এসব অধিকাংশ ইটভাটার বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই বলেও জানা গেছে।
Samakal
No comments:
Post a Comment