Saturday, November 30, 2019

ধলেশ্বরীর হাহাকার

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

ছবির ইটভাটা ও ক্ষত-বিক্ষত জায়গাটি ঢাকার পাশে কেরানীগঞ্জের কুইচামারা। পাশে ধলেশ্বরী নদী। নদীর তীরে ইটভাটা। সেই সঙ্গে চলছে নদী থেকে বালু উত্তোলন। যা মারাত্মকভাবে পরিবেশের ক্ষতির কারণ। এমন একটি স্থানে ইটভাটা স্থাপনের অনুমোদন পাওয়ার সুযোগ নেই। নিয়ন্ত্রণহীন বালু উত্তোলনও চলার কথা নয়।
নগরায়নের জন্য ইটের প্রয়োজন থাকলেও তা তৈরি করতে গিয়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের অত্যন্ত ক্ষতি করছে আইন না মেনে চলা এসব ইট ভাটা।
আইন লঙ্ঘন করে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া ইটভাটা স্থাপন করলে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। এছাড়া আইনে অননুমোদিত স্থানে ইট ভাটা স্থাপন করলে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। কিন্তু, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় ইট ভাটাগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
ইটের প্রয়োজন মেটাতে পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতিতে ইট তৈরিকে উদ্বুদ্ধ ও বাধ্যতামূলক করা অপরিহার্য। গত ৫ মার্চ প্রকাশিত ‘২০১৮ সালে বিশ্ব বায়ুর মান’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “জনসংখ্যায় ভারাক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে দূষণযুক্ত দেশ।”
গত একবছরে সারাবিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে বায়ু দূষণের মাত্রা নিয়ে গ্রিনপিস এবং এয়ারভিজ্যুয়ালের গবেষণা অনুযায়ী তৈরি প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে রাজধানী শহর হিসেবে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়।

Daily Star

No comments:

Post a Comment