ঢাকার সদরঘাট থেকে শ্যামপুর পর্যন্ত বুড়িগঙ্গার উত্তর পাড়ে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া চলমান দুটি হাসপাতাল ও ২৫টি কারখানা ১৫ দিনের মধ্যে বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
পরিবেশ
অধিদপ্তরকে এ নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এছাড়াও যেসব কারখানায় পনি বা বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট -ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) নেই, তাদের কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে ৩ মাসের মধ্যে সেসব কারখানা বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুড়িগঙ্গার দূষণ সংক্রান্ত চলমান (কন্টিনিউয়াস মেন্ডামাস) একটি রিট মামলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদন দেখে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।
আদালতে রিট আবেদনকারী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)’র পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম এ মাসুম, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালকের (পোর্ট অ্যান্ড ট্রাফিক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহফুজুর রহমান আর পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নাজমুল হক।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহিয়া দুলাল।
কারখানাগুলো হল- ফেব্রিক্স ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং কারখানা, চাঁদনী টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, কদমতলী ডিইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, নূরানী টেক্সটাইলস মিলস লিমটেড, এ মজিদ অ্যান্ড সন্স ডাইং,খাদিজা টেক্সটাইল প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিন্টিং, টিপিআই টেক্সটাইল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, অগ্রনী ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, সুবর্ণা ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, মাসুদ টেক্সটাইল,সোনিয়া ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, জেদ্দা ডাইং,সিবা টেক্সটাইল প্রসেসিং লিমিটেড, মলিনা টেক্সটাইল লিমিটেড, মেসার্স শামস ডাইং, এমজে ডাইং, রাফসান ডাইং, পিতলের কারখানা আজিজ মেটাল, আলিফ মেটাল,এনএক্স করপোরেশন, ঢালাই কারখানা মেসার্স অগ্রণী মোল্ডিং,মতলব আয়রন,পারফেক্ট ওয়্যার,এসএস ইলেক্ট্রোপ্লেটিং ওয়ার্কস, রেডিমিক্স কারাখানা মেসার্স খান রেডিমিক্স,পাইপ তৈরির কারখানা মোহাম্মদীয়া পাইপ।
হাসপাতাল দুটি হচ্ছে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল, রিভারসাইট হাসপাতাল লিমিটেড।
বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে একজন আইনজীবী হাই কোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন।
সে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের জুনে এ রায় এসেছিল হাই কোর্ট থেকে।
বুড়িগঙ্গায় বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিন দফা নির্দেশনা দিয়ে ২০১১ সালের ১ জুন রায় দেয় হাই কোর্ট।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানকে প্রতি মাসে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রায়ে।
রায়ের নির্দেশনায় ওয়াসার চেয়ারম্যানকে বুড়িগঙ্গায় সংযুক্ত সব পয়ঃপ্রণালির লাইন (সুয়ারেজ) ও শিল্পকারখানার বর্জ্য নিঃসরণের লাইন এক বছরের মধ্যে বন্ধ করতে বলেছিল।
২০১১ সালের রায়ে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল সেসব নির্দেশনা আবার দেওয়ার আরজি জানিয়ে গত এপ্রিলে একটি সম্পূরক আবেদন করে রিটকারী পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)।
সে আবেদনের শুনানি করে আদালত গত ২ মে আদেশ দেয়।
সে আদেশে রায় বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টরা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে অর্থাৎ রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, আদৌ নেওয়া হয়েছে কিনা কিংবা নিয়ে থাকলে কী কী উন্নয়ন ঘটেছে সে ব্যপারে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলে।
ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (পোর্ট অ্যান্ড ট্রাফিক), ঢাকার জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশ অনুযায়ী গত ১৫ জুলাই ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক প্রতিবেদন দাখিল করলেও রায় বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখ না থাকায় চারটি প্রতিবেদনের কোনোটিই সেদিন আদালত গ্রহণি করেনি।
এক সপ্তাহের সময় দিয়ে আদালত রায় বাস্তবায়নের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়।
সে অনুযায়ী প্রতিবেদন দেয় ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক; যা গত ১৩ অক্টোবর আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহিয়া দুলাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কিছু মিথ্যা কথাবার্তা বলে একটা রিপোর্ট দিয়েছে। তারা বাস্তবায়ন তো করেই নাই বরং মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে। তাই আদালত ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শোকজ করেছেন।”
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,“ওয়াসার এমডি যে হলফনামা দাখিল করেছেন সেখানে তিনি বলেছেন,বুড়িগঙ্গায় ওয়াসার কোনো পয়ঃপ্রণালী লাইন নাই। আর বিআইডব্লিটিএ’র প্রতিবেদনে বলা হলো, তারা অনেকগুলো পয়ঃপ্রণালীর লাইন পেয়েছে। তার মধ্যে ওয়াসার লাইনও আছে বেশ কিছু। তাই ওয়াসার প্রতিবেদন প্রাথমিকভাবে অসত্য মনে হওয়ায় ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শোকজ করেছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।”
আদালতের নির্দেশ কেন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না এবং অসত্য তথ্য দিয়ে হলফনামা দাখিল করায় তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না, সে বিষয়ে তাকে জবাব দিতে হবে।”
আদালত এ বিষয়ে আগামী ২ ডিসেম্বর পরবর্তী আদেশ দেবে বলে জানান আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
bdnews24.com
এছাড়াও যেসব কারখানায় পনি বা বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট -ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) নেই, তাদের কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে ৩ মাসের মধ্যে সেসব কারখানা বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুড়িগঙ্গার দূষণ সংক্রান্ত চলমান (কন্টিনিউয়াস মেন্ডামাস) একটি রিট মামলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদন দেখে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়।
আদালতে রিট আবেদনকারী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)’র পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম এ মাসুম, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালকের (পোর্ট অ্যান্ড ট্রাফিক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহফুজুর রহমান আর পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নাজমুল হক।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহিয়া দুলাল।
কারখানাগুলো হল- ফেব্রিক্স ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং কারখানা, চাঁদনী টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, কদমতলী ডিইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, নূরানী টেক্সটাইলস মিলস লিমটেড, এ মজিদ অ্যান্ড সন্স ডাইং,খাদিজা টেক্সটাইল প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিন্টিং, টিপিআই টেক্সটাইল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, অগ্রনী ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, সুবর্ণা ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, মাসুদ টেক্সটাইল,সোনিয়া ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং, জেদ্দা ডাইং,সিবা টেক্সটাইল প্রসেসিং লিমিটেড, মলিনা টেক্সটাইল লিমিটেড, মেসার্স শামস ডাইং, এমজে ডাইং, রাফসান ডাইং, পিতলের কারখানা আজিজ মেটাল, আলিফ মেটাল,এনএক্স করপোরেশন, ঢালাই কারখানা মেসার্স অগ্রণী মোল্ডিং,মতলব আয়রন,পারফেক্ট ওয়্যার,এসএস ইলেক্ট্রোপ্লেটিং ওয়ার্কস, রেডিমিক্স কারাখানা মেসার্স খান রেডিমিক্স,পাইপ তৈরির কারখানা মোহাম্মদীয়া পাইপ।
হাসপাতাল দুটি হচ্ছে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল, রিভারসাইট হাসপাতাল লিমিটেড।
বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে একজন আইনজীবী হাই কোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন।
সে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১১ সালের জুনে এ রায় এসেছিল হাই কোর্ট থেকে।
বুড়িগঙ্গায় বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিন দফা নির্দেশনা দিয়ে ২০১১ সালের ১ জুন রায় দেয় হাই কোর্ট।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানকে প্রতি মাসে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রায়ে।
রায়ের নির্দেশনায় ওয়াসার চেয়ারম্যানকে বুড়িগঙ্গায় সংযুক্ত সব পয়ঃপ্রণালির লাইন (সুয়ারেজ) ও শিল্পকারখানার বর্জ্য নিঃসরণের লাইন এক বছরের মধ্যে বন্ধ করতে বলেছিল।
২০১১ সালের রায়ে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল সেসব নির্দেশনা আবার দেওয়ার আরজি জানিয়ে গত এপ্রিলে একটি সম্পূরক আবেদন করে রিটকারী পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)।
সে আবেদনের শুনানি করে আদালত গত ২ মে আদেশ দেয়।
সে আদেশে রায় বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টরা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে অর্থাৎ রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, আদৌ নেওয়া হয়েছে কিনা কিংবা নিয়ে থাকলে কী কী উন্নয়ন ঘটেছে সে ব্যপারে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলে।
ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (পোর্ট অ্যান্ড ট্রাফিক), ঢাকার জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশ অনুযায়ী গত ১৫ জুলাই ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক প্রতিবেদন দাখিল করলেও রায় বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখ না থাকায় চারটি প্রতিবেদনের কোনোটিই সেদিন আদালত গ্রহণি করেনি।
এক সপ্তাহের সময় দিয়ে আদালত রায় বাস্তবায়নের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়।
সে অনুযায়ী প্রতিবেদন দেয় ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক; যা গত ১৩ অক্টোবর আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহিয়া দুলাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কিছু মিথ্যা কথাবার্তা বলে একটা রিপোর্ট দিয়েছে। তারা বাস্তবায়ন তো করেই নাই বরং মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে। তাই আদালত ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শোকজ করেছেন।”
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,“ওয়াসার এমডি যে হলফনামা দাখিল করেছেন সেখানে তিনি বলেছেন,বুড়িগঙ্গায় ওয়াসার কোনো পয়ঃপ্রণালী লাইন নাই। আর বিআইডব্লিটিএ’র প্রতিবেদনে বলা হলো, তারা অনেকগুলো পয়ঃপ্রণালীর লাইন পেয়েছে। তার মধ্যে ওয়াসার লাইনও আছে বেশ কিছু। তাই ওয়াসার প্রতিবেদন প্রাথমিকভাবে অসত্য মনে হওয়ায় ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শোকজ করেছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।”
আদালতের নির্দেশ কেন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না এবং অসত্য তথ্য দিয়ে হলফনামা দাখিল করায় তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না, সে বিষয়ে তাকে জবাব দিতে হবে।”
আদালত এ বিষয়ে আগামী ২ ডিসেম্বর পরবর্তী আদেশ দেবে বলে জানান আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
bdnews24.com
No comments:
Post a Comment