দেশব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সরকারের নির্দেশে সব ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও করোনার ঝুঁকিতেই নিয়মিত কাজ করছেন রেলওয়ের অপারেশনাল কাছে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রতিদিন চলাচল করছে তেলবাহী ট্যাংক, কন্টেইনার ও খাদ্যবাহী ট্রেন। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাসকৃত মালামালগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খাদ্য সরবরাহ, তেল ও কন্টেইনারবাহী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলো নিয়মিত চলাচল করছে। যার সাথে যুক্ত আছে রেলের চালক থেকে শুরু করে শত শত কর্মচারী। তাছাড়া সীমিত আকারে কাজ চলছে রেলের তিনটি কারখানার ওয়ার্কশপে।
নাবিল আহসান জানান, দেশে প্রতিদিনই শনাক্ত হচ্ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষ। এই মুহূর্তে দরকার মানুষকে ঘরে আটকে রাখা, কিন্ত যারা খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের কাজে নিয়োজিত তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বের হতে হচ্ছে। সেইসব মানুষদের করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতেই তিনি এমন উদ্যোগ নিয়েছেন। নাবিল আহসান বলেন, দেশ ও জাতির এই দুর্যোগের সময় আরও বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসা উচিৎ, সবাই মিলেই মোকাবেলা করতে হবে এই দুর্যোগ। ২০০টি পিপিই পেয়ে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (পশ্চিমাঞ্চল) কুদরত-ই-খুদা বলেন, আমাদের কর্মীদের জন্য বেশ উপকারী হবে এই সরঞ্জাম। এখন থেকে কার্গো ট্রেন চালক ও কারখানার শ্রমিকরা কিছুটা নিরাপত্তা পাবে, এতে গতি পাবে আমাদের রেলসেবা।
এসময় তিনিও যার যার অবস্থান থেকে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। শুধু রেলওয়েকে পিপিই প্রদানই নয়, করোনা মোকাবেলায় কসমোপলিটন আরও বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলেও জানান কোম্পানিটির স্বত্ত্বাধিকারী নাবিল আহসান।
বিডি-প্রতিদিন/শফিক
No comments:
Post a Comment