‘তোমার মা ও পরিবারের দেখাশোনা করো, নিজের যত্ন নিও, তিনদিন পর তোমাদের সঙ্গে দেখা হবে।‘ মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে ছেলে জিয়াকে ফোনে এমন কথাই বলেছিলেন বার্মিংহামের শীর্ষস্থানীয় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী চৌধুরী আসলাম ওয়াসসান। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পর ৬৭ বছর বয়সী চৌধুরী আসলামকে ভর্তি করা হয় শহরের সিটি হাসপাতালে। সেখানে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ারে স্থানান্তরের আগে তিনি ছেলেকে শেষ ফোন কলটি করেছিলেন। যেখানে আশা করেছিলেন তিনদিন পর তাদের দেখা হবে। কিন্তু সে সান্ত¦না বাক্যগুলোই এখন পরিবারের সদস্যদের জন্য হয়ে উঠেছে বেদনার বার্তা। ইনটেনসিভ কেয়ারে তার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে চিকিতসকরা ভেন্টিলেটরের সুইচ অপ করার সিদ্ধান্ত নেন। মৃত্যুর ঘন্টাখানেক আগে চিকিতসকরা চৌধুরী আসলামের সাথে তার দুই ছেলেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থায় দেখা করার সুযোগ দেন। চৌধুরী আসলামের ভাতিজা জাওয়াদ বলেন, আমরা তখনো আশা করেছিলাম তিনি সেরে উঠবেন।
Tuesday, March 31, 2020
একটি হৃদয়বিদারক ফোন কল
‘তোমার মা ও পরিবারের দেখাশোনা করো, নিজের যত্ন নিও, তিনদিন পর তোমাদের সঙ্গে দেখা হবে।‘ মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে ছেলে জিয়াকে ফোনে এমন কথাই বলেছিলেন বার্মিংহামের শীর্ষস্থানীয় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী চৌধুরী আসলাম ওয়াসসান। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পর ৬৭ বছর বয়সী চৌধুরী আসলামকে ভর্তি করা হয় শহরের সিটি হাসপাতালে। সেখানে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ারে স্থানান্তরের আগে তিনি ছেলেকে শেষ ফোন কলটি করেছিলেন। যেখানে আশা করেছিলেন তিনদিন পর তাদের দেখা হবে। কিন্তু সে সান্ত¦না বাক্যগুলোই এখন পরিবারের সদস্যদের জন্য হয়ে উঠেছে বেদনার বার্তা। ইনটেনসিভ কেয়ারে তার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে চিকিতসকরা ভেন্টিলেটরের সুইচ অপ করার সিদ্ধান্ত নেন। মৃত্যুর ঘন্টাখানেক আগে চিকিতসকরা চৌধুরী আসলামের সাথে তার দুই ছেলেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থায় দেখা করার সুযোগ দেন। চৌধুরী আসলামের ভাতিজা জাওয়াদ বলেন, আমরা তখনো আশা করেছিলাম তিনি সেরে উঠবেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment