
জার্নাল ডেস্ক
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস শনাক্তে
আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ২৮টি প্রতিষ্ঠানে করোনা
টেস্ট ল্যাব স্থাপিত হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমইএস)
হাবিবুর রহমান।
|
মঙ্গলবার করোনা নিয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।
হাবিবুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকায় ৭টি ও
ঢাকার বাইরে ৩টি প্রতিষ্ঠানে করোনার টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৫
এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার মধ্যে ৩টি ও বাইরে ৩টি এবং ২০ এপ্রিলের মধ্যে ধার
ভেতরে ৪টি ও ঢাকার বাইরে আরও ৬টিসহ মোট ২৮টি স্থানে টেস্টিং ল্যাব স্থাপিত
হবে। যেখানে করোনা রোগীদের টেস্ট করা যাবে।
এছাড়া করোনা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজনদের
চিকিৎসা সেবা প্রদানে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক দল তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি
বলেন, প্রতি দিনই এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় এই
সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮০২ জনে। তারা
করোনা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজনদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন।
ইতোমধ্যে যারা কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ
করেছেন তাদের সাথে শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি
আহ্বান জানিয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, যারা কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ করেছেন
তাদের দেহে আর সংক্রামণ নেই। তারা আপনার আমার মতোই একজন সাধারণ নাগরিক।
তাদের সাধারণ জীবন যাপনের সুযোগ দিন।
তিনি বলেন, কারো সর্দি, গলা ব্যথা, কফ,
কাশি বা এ জাতীয় কোন অসুস্থতা দেখা দিলে সরাসরি হাসপাতালে না এসে স্বাস্থ্য
বাতায়নের নম্বর ১৬২৬৩, ৩৩৩ নম্বর অথবা হটলাইন নম্বর ০১৯৪৪৩৩৩২২ বা ১০৬৫৫
নম্বরে ফোন করে পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা নিবেন।
‘কেউ প্রাইভেট প্র্যাকটিস করা থেকে বিরত থাকবেন না। প্রয়োজনে পিপিই ব্যবহার করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করবেন।’
পিপিই’র বিষয়ে ডাক্তার ও
স্বাস্থ্যকর্মীদের আশ্বস্ত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন,
প্রতিনিয়ত পিপিই সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ২৭০টি
পিপিই দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
No comments:
Post a Comment