-
নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে প্রায় সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ থাকায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন জনশূন্য প্রায়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি
নভেল করোনাভাইরাস মহামারীতে বিমান চলাচলে অচলাবস্থার মধ্যে সৌদি আরব থেকে তিন শতাধিক বাংলাদেশি ঢাকায় ফিরেছেন।
সৌদি এরাবিয়ান
এয়ারলাইন্সের বিশেষ একটি ফ্লাইটে বুধবার রাতে তারা দেশে ফেরেন বলে বাংলাদেশ বেসামরিক
বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামান
জানান।
তিনি বলেন,“রাত ৯টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে সেখানে আটকে পড়া ১৩২ জন ওমরাহ যাত্রীসহ ৩৬৬ জন বাংলাদেশি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন।”
বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুমতি নিয়েই তারা দেশে ফিরেছেন বলে জানান তিনি।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার সাজ্জাদ রাত পৌনে ১১টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,“সৌদি আরব থেকে আসা বাংলাদেশিরা এখন বিমানবন্দরে রয়েছেন।
“তাদের কারও শরীরে তাপমাত্রা বেশি না থাকলে তাদের আশকোনায় প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে। শরীরে তাপমাত্রা বেশি থাকলে কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠানো হবে।”
করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সৌদি আরব বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
মন্দাবস্থায় পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশি অনেক কর্মীকে আপাতত ফেরত পাঠাতে চাইছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এ মোমেন।
তিনি বলেন,“রাত ৯টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে সেখানে আটকে পড়া ১৩২ জন ওমরাহ যাত্রীসহ ৩৬৬ জন বাংলাদেশি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন।”
বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুমতি নিয়েই তারা দেশে ফিরেছেন বলে জানান তিনি।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার সাজ্জাদ রাত পৌনে ১১টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,“সৌদি আরব থেকে আসা বাংলাদেশিরা এখন বিমানবন্দরে রয়েছেন।
“তাদের কারও শরীরে তাপমাত্রা বেশি না থাকলে তাদের আশকোনায় প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে। শরীরে তাপমাত্রা বেশি থাকলে কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠানো হবে।”
করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সৌদি আরব বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
মন্দাবস্থায় পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশি অনেক কর্মীকে আপাতত ফেরত পাঠাতে চাইছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এ মোমেন।
No comments:
Post a Comment