ফিলিস্তিনের স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউটের (পিএসআই) অনুমোদনও পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ভেন্টিলেটর বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। করোনা রোগীদের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে, আইসিইউতে কাজে লাগানো যাবে এবং মাঠপর্যায়ে চিকিৎসা সেন্টারগুলোতেও এর ব্যবহার হবে।
তারা বলেন, স্থানীয় প্রযুক্তি দিয়েই এ ভেন্টিলেটর তৈরী করা হয়েছে। ফলে যন্ত্রটি খুবই অল্প সময়ে উৎপাদন করা যাবে এবং এর সুবিধা পাওয়া যাবে কম খরচে। এটি ডিজাইনের পাশাপাশি তৈরী করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র অধ্যাপকের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসা গবেষক। এর ব্যবহারে প্রাথমিক অনুমোদনের পর এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কবলে পড়েছে ফিলিস্তিনও। দেশটিতে এ পর্যন্ত ২৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছে একজন। এটি প্রতিরোধে পশ্চিমতীর ও গাজায় ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ মানুষের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। একইসঙ্গে মসজিদগুলোতে নামাজ বন্ধ রেখেছে।
ভেন্টিলেটর এমন একটি যন্ত্র, যার মাধ্যমে চিকিৎসকরা কোভিড-১৯ বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেন। ফুসফুসের কার্যকারিতা কমে গেলে এই যন্ত্র সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। বিশেষ এই অবস্থাকে অনেক ক্ষেত্রে লাইফ সাপোর্টে রাখাও বলে। ফুসফুস যখন শরীরে অক্সিজেন প্রবেশ ও বের করতে ব্যর্থ হয়, তখন ভেন্টিলেটর মেশিনের মাধ্যম কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।
সূত্র: মিডিল ইস্ট মনিটর
No comments:
Post a Comment