
করোনা ভাইরাসের প্রতীকি ছবি।
বৈশ্বিক
মহামারী করোনা ভাইরাসের থাবায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও থমকে
গেছে। দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনায় নতুন নতুন সংক্রমনের সংখ্যা। তবে অদৃশ্য এ
ভাইরাসের মোকাবেলায় গত ২৫ মার্চ থেকে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে
সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। সেই সঙ্গে বিভিন্ন জেলাও লকডাউন ঘোষণা
করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের নিয়মিত
বিফ্রিংয়ে ১৪ এপ্রিল এ গত ২৪ ঘন্টায় ২০৯ জন নতুন করোনায় আক্রান্ত রোগীর
সন্ধান পাওয়া যায়। আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ দিন মৃত্যু বরণ করেন ৭ জন।
এখন পর্যন্ত ৩৭ জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত
হয়েছে তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে আইইডিসিআর। তালিকার তথ্য মতে ১৩ এপ্রিল
সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকা বিভাগের ঢাকা শহরেই ৩৮৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত
হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা অন্যান্য জেলাগুলোতে আরো ২৯১ জন
করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। যারমধ্যে গাজীপুরে ৩৫ জন, কিশোরগঞ্জে ১০ জন,
মাদারীপুরে ১৯ জন, মানিকগঞ্জে ৫ জন, নারায়ণগঞ্জে ১৪৪ জন, মুন্সীগঞ্জে ১৭
জন, নরসিংদীতে ২০ জন, রাজবাড়ীতে ৬ জন, টাঙ্গাইলে ৭ জন, শরীয়তপুরে ১ জন,
গোপালগঞ্জে ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রামে ১৮ জন, কক্সবাজারে একজন, কুমিল্লায় ৯ জন, ব্রাহ্মনবাড়িয়া ৬ জন, লক্ষীপুরে একজন, চাঁদপুরে ৬ জন।
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জে ও সিলেট জেলায় একজন করে করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে।
রংপুর বিভাগের রংপুরে ২ জন, গাইবান্ধায় ৬ জন, নীলফামারীতে ৩ জন, লালমনিরহাটে একজন ও ঠাকুরগাঁয়ে ৩ জন।
খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলায় এ দিন এক জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় ৫ জন, জামালপুরে ৬ জন, নেত্রকোনায় একজন ও শেরপুরে ২ জন।
বরিশাল বিভাগের বরগুনায় ৩ জন, বরিশালে ২ জন, পটুয়াখালীতে ২ ও ঝালকাঠিতে ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।
দেশে সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা ভাইরাস সংক্রমিত রোগী ঢাকা শহরে ৩৮৩ জন। এই শহরের ৮৫টি এলাকায় কোভিড-১৯-এর রোগী পাওয়া গেছে।
No comments:
Post a Comment